শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬, ০৮:৩১ অপরাহ্ন
এই মুহূর্তের খবর :
বাংলাদেশ মেডিকেল ইকুইপমেন্ট ইম্পোটার্স এন্ড সাপ্লাইয়ার্স এসোসিয়েশনের বাংলাদেশ থেকে কূটনীতিকদের পরিবারের সদস্যদের সরাচ্ছে ভারত আজ প্রতীক বরাদ্দ, বৃহস্পতিবার থেকে শুরু নির্বাচনী প্রচারণা ভালোবাসা ও নির্যাতনের দ্বন্দ্বপুরুষের হাত: ভালোবাসা ও নির্যাতনের দুই রূপ পাবনা টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের লেবেল-১ ছাত্র, ছাত্রীদের মিল পরিদর্শন ভালোবাসা ও নির্যাতনের দ্বন্দ্ব পুরুষের হাত: ভালোবাসা ও নির্যাতনের দুই রূপ গণভোট হবে বৈষম্যহীন সমাজ ব্যবস্থা গড়ার জন্য- স্বাস্থ্য উপদেষ্টা নুর জাহান বেগম। ইসির পক্ষপাতের অভিযোগ নিয়ে প্রধান উপদেষ্টার কাছে জামায়াতের নালিশ ভালোবাসা ও নির্যাতনের দ্বন্দ্ব পুরুষের হাত: ভালোবাসা ও নির্যাতনের দুই রূপ ভালোবাসা ও নির্যাতনের দ্বন্দ্ব পুরুষের হাত: ভালোবাসা ও নির্যাতনের দুই রূপ

ভালোবাসা ও নির্যাতনের দ্বন্দ্ব পুরুষের হাত: ভালোবাসা ও নির্যাতনের দুই রূপ

স্টাফ রিপোর্টার / ৪৮ জন দেখেছেন
আপডেট : January 20, 2026

মো: আশিকুর রহমান স্বাধীন

অধ্যায় চার

পুনর্জন্ম

মামলার রায় আসতে সময় লাগে। কিন্তু অপেক্ষার মধ্যেই মায়ার ভেতরে বদল শুরু হয়। সে আবার পড়াশোনা শুরু করে। একটি ছোট চাকরি পায়। নিজের উপার্জনের টাকায় প্রথম যে জিনিসটা কেনে, তা একটি নীল শাড়ি। আয়নায় তাকিয়ে সে নতুন করে নিজেকে দেখে—ভাঙা নয়, জোড়া লাগা এক নারী।

ধীরে ধীরে সে শিখে নেয় ‘না’ বলতে। অপরাধবোধ ছাড়াই। সে বুঝতে পারে, ভালোবাসা মানে আত্মবিসর্জন নয়। পুরুষের হাত তাকে সংজ্ঞায়িত করে না—তার নিজের হাতই তার পরিচয়।

এক বিকেলে নদীর ধারে দাঁড়িয়ে মায়া বাতাসে হাত মেলে ধরে। এই হাত এখন ভয় পায় না। এই হাতে আছে কাজের শক্তি, সিদ্ধান্তের দৃঢ়তা। সে জানে, অতীত তাকে আঘাত করেছে ঠিকই, কিন্তু ভবিষ্যৎ লিখবে সে নিজেই।

মায়া হেঁটে চলে নতুন জীবনের দিকে। তার পেছনে পড়ে থাকে নির্যাতনের ছায়া, সামনে খোলা আকাশ। এই গল্প কোনো এক নারীর নয়—এ গল্প প্রতিটি নারীর, যে নিজের ভাঙন থেকে উঠে দাঁড়াতে চায়।

ভালোবাসা ও নির্যাতনের দ্বন্দ্ব — বিস্তৃত উপন্যাস

উপন্যাসের পরবর্তী পর্বসমূহ (বিস্তৃত রূপ)

অধ্যায় পাঁচ

সমাজের আদালত

রায়ের আগেই সমাজ তার রায় দিয়ে বসে। মায়া বুঝতে পারে, আইনের লড়াইয়ের পাশাপাশি তাকে আরেকটি অদৃশ্য আদালতে দাঁড়াতে হচ্ছে। কর্মস্থলে ফিসফাস, আত্মীয়দের নীরব দূরত্ব—সবকিছু তাকে প্রতিদিন মনে করিয়ে দেয়, সে ‘নিয়ম ভাঙা’ এক নারী। তবু সে দমে না। সহকর্মী রিমির পাশে দাঁড়ানোটা তার শক্তি বাড়ায়। রিমি বলে, “তোমার গল্পটা তোমাকেই বলতে হবে, নইলে ওরা বানিয়ে নেবে।”

মায়া প্রথমবার একটি নারী সহায়তা সভায় নিজের কথা বলে। কাঁপা গলায় হলেও সে বলে। কথা শেষ হলে হাততালি আসে—শব্দটা তার বুকের ভেতর সাহস হয়ে নামে।

অধ্যায় ছয়

রাশেদের মুখোমুখি

আদালতের বারান্দায় রাশেদের চোখে সে পুরোনো কর্তৃত্ব খোঁজে—কিন্তু পায় না। দু’জনের চোখ মিলতেই মায়া বুঝে যায়, ভয়টা আর একতরফা নয়। রাশেদ কথা বলতে চায়, ‘ভুল বোঝাবুঝি’ শব্দটা বারবার আনে। মায়া চুপ থাকে। তার নীরবতাই আজ তার শক্তি।

আইনজীবী তাকে বলে, “নিজেকে ছোট কোরো না।” মায়া মাথা নেড়ে সম্মতি দেয়—এই মাথা নোয়ানো আর আগের মতো নয়।

অধ্যায় সাত

মা ও মেয়ের কথোপকথন

গ্রামে মায়ের ঘরে বসে মায়া প্রথমবার সব খুলে বলে। মা কাঁদেন, দোষ নিজের কাঁধে নিতে চান। মায়া মায়ের হাত ধরে বলে, “এটা আমার দোষ না।” এই বাক্যটা যেন দু’জনকেই হালকা করে।

মা মেয়েকে নীল শাড়িটা ছুঁয়ে বলেন, “তুই বদলেছিস।” মায়া হাসে—এই হাসিতে কোনো লজ্জা নেই।


অন্যান্য সংবাদ