শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬, ১০:০৩ অপরাহ্ন
এই মুহূর্তের খবর :
বাংলাদেশ মেডিকেল ইকুইপমেন্ট ইম্পোটার্স এন্ড সাপ্লাইয়ার্স এসোসিয়েশনের বাংলাদেশ থেকে কূটনীতিকদের পরিবারের সদস্যদের সরাচ্ছে ভারত আজ প্রতীক বরাদ্দ, বৃহস্পতিবার থেকে শুরু নির্বাচনী প্রচারণা ভালোবাসা ও নির্যাতনের দ্বন্দ্বপুরুষের হাত: ভালোবাসা ও নির্যাতনের দুই রূপ পাবনা টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের লেবেল-১ ছাত্র, ছাত্রীদের মিল পরিদর্শন ভালোবাসা ও নির্যাতনের দ্বন্দ্ব পুরুষের হাত: ভালোবাসা ও নির্যাতনের দুই রূপ গণভোট হবে বৈষম্যহীন সমাজ ব্যবস্থা গড়ার জন্য- স্বাস্থ্য উপদেষ্টা নুর জাহান বেগম। ইসির পক্ষপাতের অভিযোগ নিয়ে প্রধান উপদেষ্টার কাছে জামায়াতের নালিশ ভালোবাসা ও নির্যাতনের দ্বন্দ্ব পুরুষের হাত: ভালোবাসা ও নির্যাতনের দুই রূপ ভালোবাসা ও নির্যাতনের দ্বন্দ্ব পুরুষের হাত: ভালোবাসা ও নির্যাতনের দুই রূপ

ভালোবাসা ও নির্যাতনের দ্বন্দ্ব পুরুষের হাত: ভালোবাসা ও নির্যাতনের দুই রূপ

স্টাফ রিপোর্টার / ৪৯ জন দেখেছেন
আপডেট : January 18, 2026

মো: আশিকুর রহামন স্বাধীন

অধ্যায় তিন

আইনের পথে, সমাজের চোখে সিদ্ধান্তটা নেওয়া সহজ ছিল না। রাশেদের ঘর ছেড়ে বেরোনোর দিন মায়ার পা কাঁপছিল। সে জানত, এই শহরে নারী একা হলে প্রশ্নের শেষ নেই। তবু সে বেরিয়ে আসে। প্রথম আশ্রয় হয় এক দূরের খালার বাড়িতে। সেদিন রাতে বহুদিন পর সে একটু শান্তিতে ঘুমায়, যদিও ভয়ের ছায়া পিছু ছাড়ে না।

নারী সহায়তা কেন্দ্রে গিয়ে মায়া জানতে পারে—নির্যাতনের বিরুদ্ধে আইনি পথ আছে। কাগজপত্র, মেডিকেল রিপোর্ট, অভিযোগ—সবকিছুই তাকে আবার সেই স্মৃতিগুলোর ভেতর দিয়ে হাঁটায়। থানায় গেলে অনেক প্রশ্ন আসে, কিছু কটাক্ষও। “ঘরের কথা ঘরেই মিটলে ভালো হতো”—এই কথাটা তাকে ভেঙে দেয়, আবার শক্তও করে।

মামলা দায়ের হয়। খবর ছড়াতে সময় লাগে না। প্রতিবেশীদের ফিসফিসানি, আত্মীয়দের উপদেশ—কেউ বলে মানিয়ে নাও, কেউ বলে সংসার ভাঙছ কেন। সমাজ মায়ার চরিত্র খোঁজে, রাশেদের হাত খোঁজে না। এই চাপের মধ্যেও মায়া শিখতে থাকে—ন্যায় চাইতে গেলে একা দাঁড়াতেই হয়।

আইনজীবীর টেবিলে বসে সে প্রথম নিজের গল্প লিখিত আকারে দেখে। কাগজে কাগজে তার কষ্টের সাক্ষ্য। সে বুঝতে পারে, এই লড়াই শুধু নিজের জন্য নয়—অনেক নীরব নারীর জন্য।—— চলবে——-


অন্যান্য সংবাদ