সোমবার, ১৮ মে ২০২৬, ০৭:৫২ অপরাহ্ন
এই মুহূর্তের খবর :
বাংলাদেশে ঈদুল আজহার তারিখ ঘোষণা বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের নির্বাচন পরিচালনা পরিষদের পাবনা প্রতিনিধি এনামুল হক “হাইপার পেসার” নয়, সচেতন হোন উচ্চ রক্তচাপ সম্পর্কে দেশবরেণ্য ফুটবলার কায়সার হামিদের কন্যার মৃত্যুতে শোকের ছায়া সিআইএস আয়োজিত আবাসন ও পরিবেশ সচেতনতা কার্যক্রমে সিলেটের হবিগঞ্জে জনসচেতনতা বৃদ্ধি সাবেক মন্ত্রী মিজানুর রহমান সিনহা আর নেই কোরবানির ঈদ সামনে রেখে চামড়ার নতুন দাম ঘোষণা, বেড়েছে গরু-খাসির চামড়ার দর কোরবানির আগে কত তারিখের মধ্যে চুল-দাড়ি কাটতে হবে পাবনায় কালবৈশাখী ঝড়ে আতঙ্ক, সড়কে উপড়ে পড়ল ২০ গাছ পবিত্র ঈদুল আযহাকে সামনে রেখে পাবনা জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

শেখ হাসিনাকে হত্যাচেষ্টা মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা সবাই খালাস

রিপোর্টারের নাম / ৩২৭ জন দেখেছেন
আপডেট : February 5, 2025
শেখ হাসিনাকে হত্যাচেষ্টা মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা সবাইকে খালাস

তিন দশক আগে পাবনার ঈশ্বরদী রেলস্টেশনে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে হত্যাচেষ্টা মামলার রায়ে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত ৯ আসামিকে খালাস দিয়েছেন হাইকোর্ট। এছাড়াও যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ২৫ আসামিকেও খালাস দেয়া হয়েছে।

আজ (বুধবার, ৫ ফেব্রুয়ারি) বিচারপতি মুহাম্মদ মাহবুব-উল ইসলাম ও বিচারপতি মোহাম্মদ হামিদুর রহমানের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্টের দ্বৈত বেঞ্চ এ রায় ঘোষণা করেন।

হাইকোর্ট তার পর্যবেক্ষণে বলেন, ৩ দশক আগে পাবনার ঈশ্বরদীর রেলস্টেশনে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে হত্যাচেষ্টা মামলাটি ছিল বিদ্বেষমূলক মামলা, তিলকে তাল করা হয়েছে। বিচারিক আদালতের রায় ছিল অমানবিক।

আদালতে আসামিদের পক্ষে ছিলেন ব্যারিস্টার কায়সার কামাল। তাকে সহযোগিতা করেন অ্যাডভোকেট মাহবুবুর রহমান খান, অ্যাডভোকেট মাকসুদ উল্লাহ।

এর আগে গত ৩০ জানুয়ারি এ মামলার ডেথ রেফারেন্স ও আপিল শুনানি শেষ হয়। আলোচিত এ মামলায় ২০১৯ সালের ৩ জুলাই ৯ জনকে ফাঁসি ও ২৫ জনকে যাবজ্জীবন ও অর্থদণ্ড দেন পাবনার অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালত। আসামিদের সবাই বিএনপি ও এর অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মী। এরইমধ্যে এ মামলার পাঁচ আসামি মারা গেছেন।

উল্লেখ্য, তৎকালীন বিরোধীদলীয় নেত্রী ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ১৯৯৪ সালের ২৩ সেপ্টেম্বর ট্রেনে করে খুলনা থেকে সৈয়দপুর যাচ্ছিলেন। পথে ঈশ্বরদী স্টেশন এলাকায় ট্রেনে গুলি ও বোমা হামলা চালানো হয় বলে মামলায় অভিযোগ করা হয়। এ মামলার আসামিরা সবাই বিএনপি ও এর অঙ্গসংগঠনের নেতা-কর্মী।

ঈশ্বরদী জিআরপি থানার তৎকালীন ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা নজরুল ইসলাম বাদী হয়ে ওইদিনই মামলা করেন। পরে মামলাটির তদন্ত শুরু করে সিআইডি। ১৯৯৭ সালের ৩ এপ্রিল ৫২ জনের বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশিট দেওয়া হয়। এদের মধ্যে পাঁচজন মারা গেলে তাদের চার্জশিট থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়।

এ মামলায় ২০১৯ সালে ৩ জুলাই বিএনপি নেতা জাকারিয়া পিন্টুসহ ৯ জনকে মৃত্যুদণ্ড দেন আদালত। সেই সঙ্গে ২৫ জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং ১৩ জনকে ১০ বছর মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়।


অন্যান্য সংবাদ