সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬, ১২:০৩ পূর্বাহ্ন
এই মুহূর্তের খবর :
মাওয়া হাইওয়ের পাশে নিমতলা ব্রিজ সংলগ্ন ইছামতি নদী দখলের অভিযোগ, অস্তিত্ব সংকটে নদী গ্যাসসংকটে শিল্প খাত বিপর্যস্ত, উৎপাদন ও রপ্তানিতে বাড়ছে শঙ্কা সাবেক রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিনের দায়মুক্তি নিয়ে বিতর্ক: ব্যক্তিগত অপরাধের বিচার সম্ভব বলে মত আইন বিশেষজ্ঞদের মায়ের সেবা – মো: আশিকুর রহমান স্বাধীন পরিবেশ রক্ষায় দেশব্যাপী ৮ লাখ বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন PRP থেরাপি: শরীরের নিজের শক্তিতেই সুস্থতার নতুন সম্ভাবনা -ডাঃ চৈতী মালাকার শারীরিক ও মানসিক অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগ সার সংকটের আশঙ্কায় খাদ্য নিরাপত্তা ঝুঁকিতে, বিপদে পড়তে পারেন ১ কোটি ৮১ লাখ মানুষ: ডব্লিউএফপি মুন্সীগঞ্জের গর্ব বীর মুক্তিযোদ্ধা ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট (অব.) জামাল উদ্দিন চৌধুরী (এমপি): মুক্তিযুদ্ধের সাহসী সেনানায়কের জীবন ও অবদান গ্রামীণ সড়কে বারবার পিচ উঠে যাওয়া: টেকসই সমাধানে আরসিসি সড়ক নির্মাণের দাবি

কোরবানির আগে কত তারিখের মধ্যে চুল-দাড়ি কাটতে হবে

স্টাফ রিপোর্টার / ২২০ জন দেখেছেন
আপডেট : May 14, 2026

পবিত্র জিলহজ মাস মুসলিম উম্মাহর জন্য অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। এ মাসে সামর্থ্যবান মুসলমানদের ওপর কোরবানি ওয়াজিব করা হয়েছে। কোরবানির সঙ্গে সম্পর্কিত কিছু গুরুত্বপূর্ণ সুন্নত ও মুস্তাহাব আমলও রয়েছে। এর মধ্যে অন্যতম হলো— জিলহজের চাঁদ ওঠার পর থেকে কোরবানি সম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত চুল, দাড়ি ও নখ না কাটা।

ইসলামী শরিয়ত অনুযায়ী, যারা কোরবানি করবেন তাদের জন্য জিলহজ মাসের প্রথম ১০ দিন কোরবানির আগে শরীরের কোনো চুল-পশম বা নখ না কাটা মুস্তাহাব। অর্থাৎ, কোরবানিদাতা নিজের কোরবানি সম্পন্ন করার পর চুল, দাড়ি ও নখ কাটবেন।

এ বিষয়ে হাদিসে এসেছে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন,
“যার কোরবানির পশু রয়েছে, সে যেন জিলহজের চাঁদ ওঠার পর থেকে কোরবানি করার আগ পর্যন্ত তার চুল ও নখ না কাটে।”
— (আবু দাউদ, হাদিস : ২৭৯১)

তবে ইসলাম সহজতার ধর্ম। যদি চুল বা নখ না কাটতে গিয়ে পরিচ্ছন্নতার নির্ধারিত সময়সীমা ৪০ দিন অতিক্রম হওয়ার আশঙ্কা থাকে, তাহলে অবশ্যই ৪০ দিনের মধ্যেই তা পরিষ্কার করতে হবে।

হজরত আনাস ইবনে মালেক (রা.) থেকে বর্ণিত হাদিসে এসেছে,
“গোঁফ ছাঁটা, নখ কাটা, বগলের লোম পরিষ্কার করা এবং নাভির নিচের পশম কাটার জন্য আমাদের সময়সীমা নির্ধারণ করে দেওয়া হয়েছিল, যেন আমরা ৪০ দিনের বেশি দেরি না করি।”
— (মুসলিম, হাদিস : ৪৮৭)

ইসলামী চিন্তাবিদদের মতে, এই আমলটি পালন করা সুন্নতের প্রতি ভালোবাসা ও আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের একটি মাধ্যম। সাহাবায়ে কেরাম ও তাবেয়িনরাও জিলহজের এই দিনগুলোতে চুল-নখ কাটাকে অপছন্দ করতেন।

এক বর্ণনায় এসেছে, হজরত আবদুল্লাহ ইবনে ওমর (রা.) এক নারীকে জিলহজের দশকে তার সন্তানের চুল কাটতে দেখে বলেন,
“সে যদি কোরবানির দিন পর্যন্ত অপেক্ষা করত, তবে তা আরও উত্তম হতো।”
— (মুস্তাদরাকে হাকিম, হাদিস : ৭৫৯৫)

আলেমরা বলেন, কোরবানি করার সামর্থ্য না থাকলেও কেউ চাইলে এ আমল পালন করতে পারেন। তবে যাদের ওপর কোরবানি ওয়াজিব, তাদের জন্য এর গুরুত্ব বেশি।তাই যারা এবার কোরবানি দেওয়ার নিয়ত করেছেন, তারা জিলহজের চাঁদ ওঠার আগেই প্রয়োজনীয় চুল, দাড়ি ও নখ কেটে নিতে পারেন। এরপর কোরবানি সম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত তা থেকে বিরত থাকাই উত্তম ও মুস্তাহাব আমল।

 


অন্যান্য সংবাদ