শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬, ০৬:৩১ অপরাহ্ন
এই মুহূর্তের খবর :
টানা চার দফা কমার পর দেশের বাজারে আবার বাড়ল সোনার দাম জাতীয় দলের ক্রিকেটার নাঈম হাসানকে মারধরের অভিযোগ, এসআইসহ তিন পুলিশ সদস্য প্রত্যাহার ঢাকাসহ ১১ জেলায় ঝড়ো হাওয়া ও বজ্রবৃষ্টির সম্ভাবনা কক্সবাজারে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আবাসন ও পরিবেশ সচেতনতায় স্থানীয় জনগোষ্ঠীকে ক্ষমতায়ন করছে সিআইএস ঢাকা কমিউনিটি মেডিকেল কলেজে আধুনিক প্লাস্টিক ও পুনর্গঠনমূলক সার্জারি বিষয়ে আলোচনা স্থানীয় সরকার নির্বাচন: আ. লীগ নেতাকর্মীদের অংশগ্রহণের সুযোগ রেখে আচরণ বিধির খসড়া চূড়ান্ত সংকট মোকাবিলার বাজেট আজ আদ্-দ্বীনের শোকজের জবাবে সন্তুষ্ট নন স্বাস্থ্যমন্ত্রী এক নজরে দেখে নিন ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর পূর্ণাঙ্গ সূচি

হিজাব পরে ড্রামস বাজিয়ে আলোচনায় নাজিয়া সামান্থা

স্টাফ রিপোর্টার / ৭৯ জন দেখেছেন
আপডেট : June 6, 2026

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সাম্প্রতিক সময়ে ব্যাপক আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছেন এক তরুণী। হিজাব পরে মঞ্চে ড্রামস বাজানোর একটি ভিডিও ভাইরাল হওয়ার পর থেকেই তাকে নিয়ে শুরু হয়েছে নানা আলোচনা, প্রশংসা ও সমালোচনা। ভাইরাল হওয়া সেই তরুণীর নাম নাজিয়া সামান্থা।

সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে নাজিয়া জানান, সংগীতের সঙ্গে তার সম্পর্ক আজকের নয়। ছোটবেলা থেকেই বাবার উৎসাহ ও প্রশিক্ষণে তিনি গিটার, ভায়োলিন এবং ড্রামস শেখা শুরু করেন। পরিবারের সহযোগিতা ও সমর্থন তাকে সংগীতচর্চায় এগিয়ে যেতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।

নাজিয়ার মতে, ড্রামস শুধুমাত্র একটি বাদ্যযন্ত্র নয়; এটি তার আবেগ, ভালোবাসা এবং আত্মপ্রকাশের একটি মাধ্যম। তিনি বলেন, হিজাব পরা তার ব্যক্তিগত বিশ্বাসের অংশ, আর ড্রামস বাজানো তার নিজস্ব আগ্রহ ও শখের বহিঃপ্রকাশ। এই দুটি বিষয়কে তিনি পরস্পরের পরিপূরক হিসেবেই দেখেন।

পরিবারের অবদানের কথা তুলে ধরে নাজিয়া বলেন, তার বাবা-মা সবসময় তাকে উৎসাহ দিয়েছেন। বিশেষ করে তার বাবার কাছ থেকেই তিনি সংগীতের প্রাথমিক শিক্ষা পেয়েছেন। ছোটবেলা থেকে বিভিন্ন বাদ্যযন্ত্র শেখানোর মাধ্যমে বাবা তার সংগীতজীবনের ভিত্তি তৈরি করে দিয়েছেন।

তবে ২০২৫ সালে হজ পালন করার পর তার জীবনধারায় কিছু পরিবর্তন আসে বলে জানান তিনি। আগে নাচ ও রিং ড্যান্সের সঙ্গে যুক্ত থাকলেও হজের পর সেসব থেকে সরে আসেন। তবে ড্রামসের প্রতি তার ভালোবাসা আগের মতোই অটুট রয়েছে।

নাজিয়ার ভাইয়ের ব্যান্ডের একটি অনুষ্ঠানে হঠাৎ করেই ড্রামস বাজানোর একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। এছাড়াও একটি শোতে উপস্থিত হয়ে শিক্ষকের উৎসাহে মঞ্চে উঠে জ্যামিং করার সময় ধারণ করা ভিডিওও ব্যাপকভাবে আলোচিত হয়। এরপর থেকেই নাজিয়া সামান্থার নাম ছড়িয়ে পড়ে নেটদুনিয়ায়।

ভিডিও ভাইরাল হওয়ার পর যেমন অনেকেই তার প্রতিভার প্রশংসা করেছেন, তেমনি হিজাব পরে মঞ্চে পারফর্ম করা নিয়ে সমালোচনাও করেছেন কেউ কেউ। তবে এসব নেতিবাচক মন্তব্যকে খুব বেশি গুরুত্ব দিতে চান না নাজিয়া। তিনি বিশ্বাস করেন, মানুষের ভিন্নমত থাকবেই। নিজের বিশ্বাস, মূল্যবোধ ও পছন্দের জায়গায় দৃঢ় থেকে ইতিবাচকভাবে এগিয়ে যাওয়াই তার লক্ষ্য।

নাজিয়া সামান্থার এই যাত্রা দেখিয়ে দিয়েছে যে, ব্যক্তিগত বিশ্বাস ও সৃজনশীল আগ্রহকে একসঙ্গে ধারণ করেও একজন মানুষ নিজের স্বপ্ন ও প্রতিভার বিকাশ ঘটাতে পারেন। তার এই আত্মবিশ্বাস ও নিষ্ঠা অনেক তরুণ-তরুণীর জন্য অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে উঠতে পারে।


অন্যান্য সংবাদ