শনিবার, ০৬ জুন ২০২৬, ০৫:৪৫ পূর্বাহ্ন
এই মুহূর্তের খবর :
আবারও দৌলতদিয়া ৭ নম্বর ফেরিঘাটে বাস নদীতে, উদ্ধার অভিযান চলছে অবশেষে কারামুক্ত সাবেক মেয়র ডা. সেলিনা হায়াত আইভী প্রবীণ রাজনীতিবিদ তোফায়েল আহমেদের মৃত্যুতে শোকের ছায়া ঈদের ছুটিতে সড়কে ঝরল ৭৯ প্রাণ, উদ্বেগ বাড়াচ্ছে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনা এমবাপ্পের উত্থান, মেসিকে ঘিরে বিচ্ছেদ ও পদক প্রত্যাখ্যানের আলোচিত রাশিয়া বিশ্বকাপ ক্যামেরাভীতি থেকে ভাবমূর্তির কারিগর: পুতিনের দীর্ঘ রাজনৈতিক যাত্রা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের শাহাদাতবার্ষিকীতে মাজারে প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা নিবেদন পবিত্র ঈদুল আযহা: স্বাধীন নিউজ পরিবারের পক্ষ থেকে সবাইকে শুভেচ্ছা সিআইএস পাবনায় সমন্বিত জরুরি দুর্যোগ মোকাবেলা কর্মশালা অনুষ্ঠিত হুসেন শহীদ সুহরাওয়ার্দী ও ক্রিকেট

ভারতে পালিয়েছে ফয়সাল ও তার সহযোগী, জানাল ডিএমপি

স্টাফ রিপোর্টার / ৩৪৩ জন দেখেছেন
আপডেট : December 28, 2025

ইনিকলাব মঞ্চের মুখপাত্র  শহীদ শরিফ ওসমান হাদির হত্যায় মূল অভিযুক্ত ফয়সাল ও তার একজন সহযোগী ভারতে পালিয়ে গেছে বলে জানিয়েছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)।রবিবার এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান ডিএমপির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশনস) এস এন মো. নজরুল ইসলাম।

উল্লেখ্য, গত ১২ ডিসেম্বর দুপুরে রাজধানীর পুরানা পল্টন এলাকার বক্স কালভার্ট রোডে গুলিবিদ্ধ হন শরিফ ওসমান হাদি। জুমার নামাজ শেষে মতিঝিল থেকে প্রচারণা চালিয়ে তিনি সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের দিকে যাচ্ছিলেন। তখন মোটরসাইকেলে আসা প্রধান আসামি ফয়সাল করিম মাসুদ রাহুল দাউদ ও তার এক অজ্ঞাত সহযোগী চলন্ত অবস্থায় হাদিকে লক্ষ্য করে গুলি চালায়। গুলিবিদ্ধ হয়ে গুরুতর আহত হন হাদি। প্রথমে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে ১৫ ডিসেম্বর তাকে সিঙ্গাপুরে পাঠানো হয়। সেখানে সিঙ্গাপুর জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি ১৮ ডিসেম্বর রাত ৯টা ৪৫ মিনিটে মারা যান।

 ওসমান হাদি হত্যাকাণ্ড পূর্ব-পরিকল্পিত। প্রধান অভিযুক্ত ফয়সালসহ আরও একজন ময়মনসিংহ দিয়ে সীমান্ত পার হয়ে ভারতে পালিয়েছে। এ ঘটনায় মোট ১১ জনকে গ্রেফতার করেছে ডিএমপি। এর মধ্যে ছয়জন স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। আগামী ৭-৮ দিনের মধ্যে এই মামলার অভিযোগপত্র জমা দেওয়া হবে।

এ ঘটনায় ১৪ ডিসেম্বর ইনকিলাব মঞ্চের সদস্যসচিব আব্দুল্লাহ আল জাবের বাদী হয়ে পল্টন থানায় হত্যাচেষ্টার মামলা করেন। মামলায় অপরাধমূলক ষড়যন্ত্র, হত্যাচেষ্টা ও বিপজ্জনক অস্ত্র ব্যবহারের অভিযোগ আনা হয়। হাদির মৃত্যুর পর মামলার ধারা পরিবর্তন করা হয়। ২০ ডিসেম্বর আদালতের আদেশে মামলায় দণ্ডবিধির ৩০২ ধারা (হত্যা) সংযোজন করা হয়।


অন্যান্য সংবাদ