শনিবার, ৩০ মে ২০২৬, ০৪:২০ অপরাহ্ন
এই মুহূর্তের খবর :
পবিত্র ঈদুল আযহা: স্বাধীন নিউজ পরিবারের পক্ষ থেকে সবাইকে শুভেচ্ছা সিআইএস পাবনায় সমন্বিত জরুরি দুর্যোগ মোকাবেলা কর্মশালা অনুষ্ঠিত হুসেন শহীদ সুহরাওয়ার্দী ও ক্রিকেট ইরান যুদ্ধে ট্রাম্প ‘ফেল’! গাজাযুদ্ধে ইসরায়েলকে অস্ত্র দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র, ভারতসহ ৫১ দেশ! আগামীকাল থেকে শুরু হচ্ছে ঈদুল আজহার এক সপ্তাহের ছুটি রংপুরে সিআইএস’র জুনিয়র হাই স্কুল সিমুলেশন ড্রিল প্রোগ্রাম সফলভাবে সম্পন্ন পাবনা সদর হাসপাতালে অ্যাম্বুলেন্স সেবা বন্ধ, চরম ভোগান্তিতে রোগী-স্বজন পাবনা প্রতিনিধি : ২৪ ঘণ্টায় হাম ও উপসর্গে আরও ১৩ শিশুর মৃত্যু, বাড়ছে উদ্বেগ ঢাকা কমিউনিটি হাসপাতালে অসহায় রোগীদের মাঝে ৫০ হাজার টাকা করে চিকিৎসা সহায়তার চেক বিতরণ

বৃষ্টি হলেও কমেনি দূষণ, বিশ্বের শীর্ষে ঢাকা

স্টাফ রিপোর্টার / ৫৮ জন দেখেছেন
আপডেট : May 7, 2026

রাজধানীতে টানা বৃষ্টির পরও কমেনি বায়ুদূষণ। বরং বৃহস্পতিবার সকালে বিশ্বের সবচেয়ে দূষিত শহরের তালিকায় আবারও শীর্ষে উঠে এসেছে ঢাকা। সুইজারল্যান্ডভিত্তিক বায়ুমান পর্যবেক্ষণ প্রতিষ্ঠান আইকিউএয়ারের তথ্যমতে, সকালে ঢাকার বায়ুর মান ছিল ১৭৭, যা ‘অস্বাস্থ্যকর’ হিসেবে বিবেচিত।

এর আগে বুধবার সন্ধ্যা ছয়টা থেকে রাত নয়টা পর্যন্ত রাজধানীতে ২৬ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়। সাধারণত বৃষ্টির পর বাতাসের ধুলাবালু ধুয়ে গিয়ে বায়ুর মান কিছুটা উন্নত হওয়ার কথা। কিন্তু বাস্তবে তার উল্টো চিত্র দেখা গেছে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, রাজধানীতে চলমান অপরিকল্পিত নির্মাণকাজ, উন্মুক্তভাবে ফেলে রাখা নির্মাণসামগ্রী এবং ত্রুটিপূর্ণ যানবাহনের ধোঁয়াই দূষণের বড় কারণ। বায়ুমণ্ডলীয় দূষণ অধ্যয়নকেন্দ্রের (ক্যাপস) চেয়ারম্যান অধ্যাপক আহমেদ কামরুজ্জামান মজুমদার বলেন, শহরের বিভিন্ন এলাকায় নির্মাণসামগ্রী খোলা অবস্থায় পড়ে থাকে। গাড়ির চাকার সঙ্গে ধুলাবালু বড় সড়কে ছড়িয়ে পড়ে দ্রুতই বাতাস দূষিত করছে।

তিনি জানান, রাজধানীতে শত শত স্থানে একইভাবে নির্মাণকাজ চলছে, কিন্তু সেগুলোর যথাযথ রক্ষণাবেক্ষণ বা ধুলা নিয়ন্ত্রণে কার্যকর ব্যবস্থা নেই। ফলে বৃষ্টি সাময়িকভাবে দূষণ কমালেও অল্প সময়ের মধ্যেই আবার ধুলাবালু বাতাসে ছড়িয়ে পড়ছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, নির্মাণকাজে ধুলা নিয়ন্ত্রণের নিয়ম কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করলে বায়ুদূষণ অনেকটাই কমানো সম্ভব। তবে এ ক্ষেত্রে সিটি করপোরেশনের কার্যকর নজরদারির অভাব রয়েছে।

এদিকে দূষণের তালিকায় ঢাকার পরেই রয়েছে ইন্দোনেশিয়ার জাকার্তা। শহরটির বায়ুমান ছিল ১৫৯।

রাজধানীর বিভিন্ন এলাকার বায়ুমানও ছিল উদ্বেগজনক। আগারগাঁওয়ের বাংলাদেশ উন্নয়ন গবেষণা প্রতিষ্ঠান (বিআইডিএস) এলাকায় বায়ুমান ছিল ২১৬, যা ‘খুব অস্বাস্থ্যকর’। এছাড়া বারিধারা পার্ক রোডে ২০৯, গুলশানের বিভিন্ন এলাকায় ১৯০-এর কাছাকাছি এবং উত্তর বাড্ডাসহ আরও কয়েকটি এলাকায় অস্বাস্থ্যকর মাত্রার দূষণ রেকর্ড করা হয়েছে।

স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এমন পরিস্থিতিতে বাইরে বের হলে অবশ্যই মাস্ক ব্যবহার করা উচিত। শিশু, বয়স্ক ও শ্বাসকষ্টের রোগীদের বিশেষ সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি অপ্রয়োজনে বাইরে ব্যায়াম না করা এবং ঘরের জানালা যতটা সম্ভব বন্ধ রাখার আহ্বান জানিয়েছেন তারা।


অন্যান্য সংবাদ