সোমবার, ১৮ মে ২০২৬, ০৬:১৯ অপরাহ্ন
এই মুহূর্তের খবর :
বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের নির্বাচন পরিচালনা পরিষদের পাবনা প্রতিনিধি এনামুল হক “হাইপার পেসার” নয়, সচেতন হোন উচ্চ রক্তচাপ সম্পর্কে দেশবরেণ্য ফুটবলার কায়সার হামিদের কন্যার মৃত্যুতে শোকের ছায়া সিআইএস আয়োজিত আবাসন ও পরিবেশ সচেতনতা কার্যক্রমে সিলেটের হবিগঞ্জে জনসচেতনতা বৃদ্ধি সাবেক মন্ত্রী মিজানুর রহমান সিনহা আর নেই কোরবানির ঈদ সামনে রেখে চামড়ার নতুন দাম ঘোষণা, বেড়েছে গরু-খাসির চামড়ার দর কোরবানির আগে কত তারিখের মধ্যে চুল-দাড়ি কাটতে হবে পাবনায় কালবৈশাখী ঝড়ে আতঙ্ক, সড়কে উপড়ে পড়ল ২০ গাছ পবিত্র ঈদুল আযহাকে সামনে রেখে পাবনা জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত সাবেক মন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন আর নেই

সাবেক মন্ত্রী মিজানুর রহমান সিনহা আর নেই

স্টাফ রিপোর্টার / ৩৩ জন দেখেছেন
আপডেট : May 16, 2026

সাবেক স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ও মুন্সীগঞ্জ জেলা বিএনপির আহ্বায়ক মিজানুর রহমান সিনহা আর নেই। দীর্ঘদিন সিঙ্গাপুরে চিকিৎসাধীন থাকার পর শুক্রবার দিবাগত রাত ২টার দিকে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৮৩ বছর। ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।

তার মেয়ে তাসনিম সিনহা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বাবার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। পরিবারের সদস্যরা জানান, তিনি দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন শারীরিক জটিলতায় ভুগছিলেন এবং সিঙ্গাপুরে চিকিৎসা নিচ্ছিলেন।

মিজানুর রহমান সিনহা মুন্সীগঞ্জ জেলার লৌহজং উপজেলার কলমা ইউনিয়নের ডহুরী গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। ছাত্রজীবন থেকেই তিনি রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন। নারায়ণগঞ্জের সরকারি তোলারাম কলেজে অধ্যয়নকালে ছাত্র সংসদ নির্বাচনে ছাত্র ইউনিয়নের প্রার্থী হিসেবে সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন। পরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ব্যবসায় শিক্ষা বিষয়ে স্নাতক সম্পন্ন করেন।

১৯৬৪ সালে হাবিব ব্যাংকে চাকরির মাধ্যমে তার কর্মজীবন শুরু হয়। পরবর্তীতে পিতার মৃত্যুর পর ১৯৭৫ সালে পারিবারিক শিল্পপ্রতিষ্ঠান একমি গ্রুপে যোগ দেন। ১৯৮৩ সাল থেকে তিনি প্রতিষ্ঠানটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন এবং দেশের শিল্প ও ব্যবসা খাতেও গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন।

১৯৯০ সালে তিনি বিএনপিতে যোগ দেন। পরে দলটির কেন্দ্রীয় কমিটির কোষাধ্যক্ষ হিসেবেও দীর্ঘদিন দায়িত্ব পালন করেন। মুন্সীগঞ্জ-২ আসন থেকে বিএনপির মনোনয়নে ১৯৯৬ ও ২০০১ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয়ী হয়ে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। রাজনৈতিক জীবনে তিনি এলাকায় উন্নয়ন কর্মকাণ্ড ও সাংগঠনিক নেতৃত্বের জন্য পরিচিত ছিলেন।

২০০৩ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত তিনি স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন। সর্বশেষ তিনি মুন্সীগঞ্জ জেলা বিএনপির আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্বে ছিলেন।

তার মৃত্যুতে রাজনৈতিক অঙ্গন, ব্যবসায়ী মহল ও স্থানীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠন তার মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছে এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছে।

 


অন্যান্য সংবাদ