রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬, ১১:০৬ অপরাহ্ন
এই মুহূর্তের খবর :
মাওয়া হাইওয়ের পাশে নিমতলা ব্রিজ সংলগ্ন ইছামতি নদী দখলের অভিযোগ, অস্তিত্ব সংকটে নদী গ্যাসসংকটে শিল্প খাত বিপর্যস্ত, উৎপাদন ও রপ্তানিতে বাড়ছে শঙ্কা সাবেক রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিনের দায়মুক্তি নিয়ে বিতর্ক: ব্যক্তিগত অপরাধের বিচার সম্ভব বলে মত আইন বিশেষজ্ঞদের মায়ের সেবা – মো: আশিকুর রহমান স্বাধীন পরিবেশ রক্ষায় দেশব্যাপী ৮ লাখ বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন PRP থেরাপি: শরীরের নিজের শক্তিতেই সুস্থতার নতুন সম্ভাবনা -ডাঃ চৈতী মালাকার শারীরিক ও মানসিক অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগ সার সংকটের আশঙ্কায় খাদ্য নিরাপত্তা ঝুঁকিতে, বিপদে পড়তে পারেন ১ কোটি ৮১ লাখ মানুষ: ডব্লিউএফপি মুন্সীগঞ্জের গর্ব বীর মুক্তিযোদ্ধা ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট (অব.) জামাল উদ্দিন চৌধুরী (এমপি): মুক্তিযুদ্ধের সাহসী সেনানায়কের জীবন ও অবদান গ্রামীণ সড়কে বারবার পিচ উঠে যাওয়া: টেকসই সমাধানে আরসিসি সড়ক নির্মাণের দাবি

আদালতে শাজাহান খান

রিপোর্টারের নাম / ৫৯২ জন দেখেছেন
আপডেট : March 5, 2025

 

বাহিরের সন্ত্রাসিদের হাত থেকে রক্ষায় আসি জেলখানাতে এখন, বাহিরে থাকলে হয়তো এতদিনে মারা যেতাম ।

বুধবার (০৫ মার্চ) সকালে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে যাত্রাবাড়ী থানার হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোর পর ঢাকা মহানগর মেট্রোপলিটন আদালত থেকে নামানোর সময় তিনি এ কথা বলেন।

এদিন সকালে ১০টা ৬ মিনিটে ঢাকা মহানগর হাকিম আদালতে তোলা হয় আনিসুল হক, শাজাহান খান, কামাল মজুমদার, আতিকুল ইসলাম, সোলায়মান সেলিমসহ অন্য আসামিদের। এ সময় হেলমেট, বুলেটপ্রুফ জ্যাকেট ও পিছনে হাত দিয়ে হ্যান্ডকাফ পরিয়ে হাজতখানা থেকে বের করা হয় তাদের।

এ সময় তিনি কেমন আছেন জিজ্ঞেস করেন এক সাংবাদিক। উত্তরে তিনি বলেন, আছি তোমাদের দোয়ায়। দোয়া করবা আমার জন্য।

 

 

তখন ওই সাংবাদিক বলেন, কী দোয়া করব? উত্তরে শাহজানান খান বলেন, দোয়া করবা যেন তাড়াতাড়ি মুক্তি পেয়ে দেশে শান্তি-শৃঙ্খলা কীভাবে ফিরিয়ে আনা যায় এবং আগামী নির্বাচনে কীভাবে অংশগ্রহণ করতে পারি এ সব কারণে দোয়া করবা।

তখন ওই সাংবাদিক আবার বলেন, সবাই বলছে আপনারা দেশের বারোটা বাজিয়েছেন। তখন শাজাহান খান বলেন, আমরা বারোটা বাজিয়েছি না কারা বারোটা বাজিয়েছে এটা সামনে প্রমাণিত হবে।

পরে তাদের কাঠগড়ায় উঠানো হয়। এ সময় তাদের হাতের হ্যান্ডকাফ, মাথার হেলমেট খুলে দেওয়া হয়। এরপর ১০টা ১৫ মিনিটে বিচারক এজলাসে উঠলে তাদের বিভিন্ন মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোর শুনানি শুরু হয়। পরে আদালত এক এক করে গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন মঞ্জুর করেন।

এরপর তাদের আদালত থেকে নামিয়ে গারদখানার উদ্দেশে নেওয়া হয়। এ সময় আরেক সাংবাদিক জিজ্ঞেস করেন আপনি এত হাসেন কেন। তখন শাজাহান খান বলেন, আমি সবসময় হাসি, মৃত্যুর আগ পর্যন্ত হাসতে থাকব। কারাগারে কেমন আছেন জিজ্ঞেস করলে তিনি বলেন, খুব ভাল আছি। কারাগারে থেকে সন্ত্রাসীদের হাত থেকে নিরাপদে আছি। কারন বর্তমানে সময় দেশের যে এমন অবস্থা আমি যদি বাহিরে থাকতাম তাহলে আমাকে অনেক অত্যাচার করতো । এরপর তাকে গারদখানার ভিতরে নিয়ে যাওয়া হয়।

 

 

 

 

 


অন্যান্য সংবাদ