সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬, ১২:০১ পূর্বাহ্ন
এই মুহূর্তের খবর :
মাওয়া হাইওয়ের পাশে নিমতলা ব্রিজ সংলগ্ন ইছামতি নদী দখলের অভিযোগ, অস্তিত্ব সংকটে নদী গ্যাসসংকটে শিল্প খাত বিপর্যস্ত, উৎপাদন ও রপ্তানিতে বাড়ছে শঙ্কা সাবেক রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিনের দায়মুক্তি নিয়ে বিতর্ক: ব্যক্তিগত অপরাধের বিচার সম্ভব বলে মত আইন বিশেষজ্ঞদের মায়ের সেবা – মো: আশিকুর রহমান স্বাধীন পরিবেশ রক্ষায় দেশব্যাপী ৮ লাখ বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন PRP থেরাপি: শরীরের নিজের শক্তিতেই সুস্থতার নতুন সম্ভাবনা -ডাঃ চৈতী মালাকার শারীরিক ও মানসিক অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগ সার সংকটের আশঙ্কায় খাদ্য নিরাপত্তা ঝুঁকিতে, বিপদে পড়তে পারেন ১ কোটি ৮১ লাখ মানুষ: ডব্লিউএফপি মুন্সীগঞ্জের গর্ব বীর মুক্তিযোদ্ধা ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট (অব.) জামাল উদ্দিন চৌধুরী (এমপি): মুক্তিযুদ্ধের সাহসী সেনানায়কের জীবন ও অবদান গ্রামীণ সড়কে বারবার পিচ উঠে যাওয়া: টেকসই সমাধানে আরসিসি সড়ক নির্মাণের দাবি

“আব্বাকে আর ছোঁয়া হয়নি”

মো : তুষার হোসেন / ৩৭১ জন দেখেছেন
আপডেট : February 24, 2026

”শাহনাজ খুশির আবেগঘন স্মৃতিচারণ”

ছোট পর্দার জনপ্রিয় অভিনেত্রী শাহনাজ খুশি আবারও ভক্তদের হৃদয় ছুঁয়ে গেলেন এক গভীর আবেগময় লেখায়। অভিনয়ের পাশাপাশি সাবলীল লেখনশৈলীর জন্য পরিচিত এই অভিনেত্রী এবার স্মৃতির পাতায় ফিরে গেলেন তাঁর প্রয়াত বাবার কাছে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে তিনি জানান, ছোটবেলায় তারা বাবাকে ‘আব্বা’ বলেই ডাকতেন। নিজের সন্তানদের ভালোবাসার কথা বলতে গিয়ে হঠাৎই যেন বুকের ভেতর জমে থাকা আক্ষেপ উঁকি দেয়। তিনি লেখেন, তাঁর ছেলেরা প্রতিদিন তাকে জড়িয়ে ধরে আদর করে, ভালোবাসা প্রকাশে কোনো সংকোচ নেই তাদের। আর তখনই মনে পড়ে যায়—তিনি কিংবা তাঁর ভাইবোনেরা কোনোদিন বাবাকে জড়িয়ে ধরেননি। ঈদের দিন কিংবা পরীক্ষার আগে পা ছুঁয়ে সালাম করা ছাড়া বাবাকে আর স্পর্শ করা হয়নি।

শাহনাজ খুশি নিজেকে ‘গ্রাম্য মনের মানুষ’ বলে উল্লেখ করে জানান, তিনি দামি সুগন্ধির গন্ধ নয়, প্রিয় মানুষের শরীরের গন্ধ খুঁজে বেড়ান। বাবার স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে তিনি লেখেন, তেল মেখে গোসল করা, ব্যাকব্রাশ করা চুল, স্বর্ণাভ ফর্সা গায়ের রং—সব মিলিয়ে এক অনন্য গন্ধে ভরে থাকত তাঁর আব্বা। কোনো পারফিউম ছাড়াই সেই গন্ধ আজও তাঁর বুকের ভেতর আলোড়ন তোলে।

তিনি আরও জানান, তাদের পরিবারে বাবা-মাকে জড়িয়ে ধরে ভালোবাসা প্রকাশের কোনো প্রচলন ছিল না। সেই অলিখিত নিয়মই আজ তাঁর জীবনে গভীর আফসোস হয়ে ধরা দিয়েছে। না-বলা অনুভূতিগুলো যেন জমে আছে ‘অভিমানের কেটলি’-তে। বাবার কবরের সামনে দাঁড়িয়েও তিনি নিয়ম ভাঙতে পারেননি, বলতে পারেননি বুকের ভেতর জমে থাকা কথা।

এক বুক দীর্ঘশ্বাস নিয়ে অভিনেত্রী লেখেন, মানুষকে ছোট করে দেখতে শেখেননি বলেই হয়তো কোনোদিন ভালোবাসা প্রকাশের ভাষা খুঁজে পাননি। এখন শুধু চেয়ে চেয়ে দেখা—এটাই যেন তাঁর আজন্মের কারাদণ্ড।

শাহনাজ খুশির এই আবেগঘন স্মৃতিচারণ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মুহূর্তেই ছড়িয়ে পড়ে। ভক্তরা তাঁর লেখায় খুঁজে পেয়েছেন নিজেদের না-বলা গল্প, অপ্রকাশিত ভালোবাসার আক্ষেপ।


অন্যান্য সংবাদ