শনিবার, ৩০ মে ২০২৬, ০৩:৫২ অপরাহ্ন
এই মুহূর্তের খবর :
পবিত্র ঈদুল আযহা: স্বাধীন নিউজ পরিবারের পক্ষ থেকে সবাইকে শুভেচ্ছা সিআইএস পাবনায় সমন্বিত জরুরি দুর্যোগ মোকাবেলা কর্মশালা অনুষ্ঠিত হুসেন শহীদ সুহরাওয়ার্দী ও ক্রিকেট ইরান যুদ্ধে ট্রাম্প ‘ফেল’! গাজাযুদ্ধে ইসরায়েলকে অস্ত্র দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র, ভারতসহ ৫১ দেশ! আগামীকাল থেকে শুরু হচ্ছে ঈদুল আজহার এক সপ্তাহের ছুটি রংপুরে সিআইএস’র জুনিয়র হাই স্কুল সিমুলেশন ড্রিল প্রোগ্রাম সফলভাবে সম্পন্ন পাবনা সদর হাসপাতালে অ্যাম্বুলেন্স সেবা বন্ধ, চরম ভোগান্তিতে রোগী-স্বজন পাবনা প্রতিনিধি : ২৪ ঘণ্টায় হাম ও উপসর্গে আরও ১৩ শিশুর মৃত্যু, বাড়ছে উদ্বেগ ঢাকা কমিউনিটি হাসপাতালে অসহায় রোগীদের মাঝে ৫০ হাজার টাকা করে চিকিৎসা সহায়তার চেক বিতরণ

“আব্বাকে আর ছোঁয়া হয়নি”

মো : তুষার হোসেন / ২০৯ জন দেখেছেন
আপডেট : February 24, 2026

”শাহনাজ খুশির আবেগঘন স্মৃতিচারণ”

ছোট পর্দার জনপ্রিয় অভিনেত্রী শাহনাজ খুশি আবারও ভক্তদের হৃদয় ছুঁয়ে গেলেন এক গভীর আবেগময় লেখায়। অভিনয়ের পাশাপাশি সাবলীল লেখনশৈলীর জন্য পরিচিত এই অভিনেত্রী এবার স্মৃতির পাতায় ফিরে গেলেন তাঁর প্রয়াত বাবার কাছে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে তিনি জানান, ছোটবেলায় তারা বাবাকে ‘আব্বা’ বলেই ডাকতেন। নিজের সন্তানদের ভালোবাসার কথা বলতে গিয়ে হঠাৎই যেন বুকের ভেতর জমে থাকা আক্ষেপ উঁকি দেয়। তিনি লেখেন, তাঁর ছেলেরা প্রতিদিন তাকে জড়িয়ে ধরে আদর করে, ভালোবাসা প্রকাশে কোনো সংকোচ নেই তাদের। আর তখনই মনে পড়ে যায়—তিনি কিংবা তাঁর ভাইবোনেরা কোনোদিন বাবাকে জড়িয়ে ধরেননি। ঈদের দিন কিংবা পরীক্ষার আগে পা ছুঁয়ে সালাম করা ছাড়া বাবাকে আর স্পর্শ করা হয়নি।

শাহনাজ খুশি নিজেকে ‘গ্রাম্য মনের মানুষ’ বলে উল্লেখ করে জানান, তিনি দামি সুগন্ধির গন্ধ নয়, প্রিয় মানুষের শরীরের গন্ধ খুঁজে বেড়ান। বাবার স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে তিনি লেখেন, তেল মেখে গোসল করা, ব্যাকব্রাশ করা চুল, স্বর্ণাভ ফর্সা গায়ের রং—সব মিলিয়ে এক অনন্য গন্ধে ভরে থাকত তাঁর আব্বা। কোনো পারফিউম ছাড়াই সেই গন্ধ আজও তাঁর বুকের ভেতর আলোড়ন তোলে।

তিনি আরও জানান, তাদের পরিবারে বাবা-মাকে জড়িয়ে ধরে ভালোবাসা প্রকাশের কোনো প্রচলন ছিল না। সেই অলিখিত নিয়মই আজ তাঁর জীবনে গভীর আফসোস হয়ে ধরা দিয়েছে। না-বলা অনুভূতিগুলো যেন জমে আছে ‘অভিমানের কেটলি’-তে। বাবার কবরের সামনে দাঁড়িয়েও তিনি নিয়ম ভাঙতে পারেননি, বলতে পারেননি বুকের ভেতর জমে থাকা কথা।

এক বুক দীর্ঘশ্বাস নিয়ে অভিনেত্রী লেখেন, মানুষকে ছোট করে দেখতে শেখেননি বলেই হয়তো কোনোদিন ভালোবাসা প্রকাশের ভাষা খুঁজে পাননি। এখন শুধু চেয়ে চেয়ে দেখা—এটাই যেন তাঁর আজন্মের কারাদণ্ড।

শাহনাজ খুশির এই আবেগঘন স্মৃতিচারণ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মুহূর্তেই ছড়িয়ে পড়ে। ভক্তরা তাঁর লেখায় খুঁজে পেয়েছেন নিজেদের না-বলা গল্প, অপ্রকাশিত ভালোবাসার আক্ষেপ।


অন্যান্য সংবাদ