শনিবার, ৩০ মে ২০২৬, ০৩:৫২ অপরাহ্ন
এই মুহূর্তের খবর :
পবিত্র ঈদুল আযহা: স্বাধীন নিউজ পরিবারের পক্ষ থেকে সবাইকে শুভেচ্ছা সিআইএস পাবনায় সমন্বিত জরুরি দুর্যোগ মোকাবেলা কর্মশালা অনুষ্ঠিত হুসেন শহীদ সুহরাওয়ার্দী ও ক্রিকেট ইরান যুদ্ধে ট্রাম্প ‘ফেল’! গাজাযুদ্ধে ইসরায়েলকে অস্ত্র দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র, ভারতসহ ৫১ দেশ! আগামীকাল থেকে শুরু হচ্ছে ঈদুল আজহার এক সপ্তাহের ছুটি রংপুরে সিআইএস’র জুনিয়র হাই স্কুল সিমুলেশন ড্রিল প্রোগ্রাম সফলভাবে সম্পন্ন পাবনা সদর হাসপাতালে অ্যাম্বুলেন্স সেবা বন্ধ, চরম ভোগান্তিতে রোগী-স্বজন পাবনা প্রতিনিধি : ২৪ ঘণ্টায় হাম ও উপসর্গে আরও ১৩ শিশুর মৃত্যু, বাড়ছে উদ্বেগ ঢাকা কমিউনিটি হাসপাতালে অসহায় রোগীদের মাঝে ৫০ হাজার টাকা করে চিকিৎসা সহায়তার চেক বিতরণ

জাবটিকাবার

স্টাফ রিপোর্টার / ২১৭ জন দেখেছেন
আপডেট : February 16, 2026

জাবটিকাবার আদি নিবাস ব্রাজিল। তৎকালীন পাকিস্তান আমলে ১৯৫৬ সালে বর্তমান হর্টিকালচার সেন্টার কল্যাণপুর ছিল বিএডিসি ফার্ম। তৎকালে প্রায় ১০০ একর জমির উপর প্রতিষ্ঠিত এ ফার্মের কোয়ার্টার সংলগ্ন এলাকায় পথের ধারে তিনটি জাবটিকার চারা রোপণ করেন তৎকালীন ফার্মের জনৈক উদ্যানতত্ত্ববিদ জনাব আঃ সামাদ। কোথা থেকে কিভাবে তিনি এ চারা সংগ্রহ করেছিলেন তা কেউ আর এখন বলতে পারেন না। এখন আর শুধু কল্যাণপুর হর্টিকালচার সেন্টারেই নয়, জাবাটিকার গাছ ফল দিচ্ছে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্যানতত্ত্ব বিভাগের জার্মপ্লাজম সেন্টারে,কল্যাণপুর হর্চিকালচার সেন্টারের ফলবাগানে ও দেশে আরও অনেক শৌখিন ফল প্রেমিকদের বাগানে।

সরকারও সাম্প্রতিক বছরগুলোতে এসব ফলকে জনপ্রিয় ও সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য প্রতি বছর জাতীয় পর্যায়ে ফল প্রদর্শনীর আয়োজন করছেন। দেশের প্রতিটি বাড়িতে এই বৃক্ষ রোপণ মৌসুমে অন্তত একটি ফলের চারা রোপণ করা উচিত বলে বিশেষজ্ঞদের অভিমত। প্রয়োজন ও প্রাপ্তির ব্যবধানের কারণ একদিকে যেমন সচেতনতার অভাব অন্যদিকে রয়েছে উৎপাদনের সীমাবদ্ধতা। তাই দেশের খাদ্যপুষ্টির চাহিদা পূরণসহ আর্থসামাজিক উন্নয়ন নিশ্চিত করতে বিদেশি ফলের প্রবর্তন, গবেষণা, উন্নয়ন, উৎপাদন ও ব্যবহার অনস্বীকার্য। সুতরাং স্বাদে, গন্ধে, পুষ্টিতে শ্রেয়তর বর্ণিল বিদেশি ফলগুলোর উৎপাদন দেশব্যাপী সারা বছর বাড়িয়ে তুলতে হবে। উৎপাদন বৃদ্ধির পাশাপাশি প্রয়োজন উপযুক্ত সংরক্ষণ ও প্রক্রিয়াজাতকরণ ব্যবস্থাপনা। এতে ক্ষুদ্র ও বৃহৎ পরিসরে গড়ে উঠবে আরো প্রক্রিয়াজাতকরণ শিল্প। ফলে কৃষিনির্ভর অর্থনীতি হবে আরো মজবুত ও গতিশীল, দেশবাসী পাবে খাদ্যে পুষ্টিমানসম্পন্ন একটি ভবিষ্যৎ।


অন্যান্য সংবাদ