সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬, ১২:০৩ পূর্বাহ্ন
এই মুহূর্তের খবর :
মাওয়া হাইওয়ের পাশে নিমতলা ব্রিজ সংলগ্ন ইছামতি নদী দখলের অভিযোগ, অস্তিত্ব সংকটে নদী গ্যাসসংকটে শিল্প খাত বিপর্যস্ত, উৎপাদন ও রপ্তানিতে বাড়ছে শঙ্কা সাবেক রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিনের দায়মুক্তি নিয়ে বিতর্ক: ব্যক্তিগত অপরাধের বিচার সম্ভব বলে মত আইন বিশেষজ্ঞদের মায়ের সেবা – মো: আশিকুর রহমান স্বাধীন পরিবেশ রক্ষায় দেশব্যাপী ৮ লাখ বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন PRP থেরাপি: শরীরের নিজের শক্তিতেই সুস্থতার নতুন সম্ভাবনা -ডাঃ চৈতী মালাকার শারীরিক ও মানসিক অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগ সার সংকটের আশঙ্কায় খাদ্য নিরাপত্তা ঝুঁকিতে, বিপদে পড়তে পারেন ১ কোটি ৮১ লাখ মানুষ: ডব্লিউএফপি মুন্সীগঞ্জের গর্ব বীর মুক্তিযোদ্ধা ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট (অব.) জামাল উদ্দিন চৌধুরী (এমপি): মুক্তিযুদ্ধের সাহসী সেনানায়কের জীবন ও অবদান গ্রামীণ সড়কে বারবার পিচ উঠে যাওয়া: টেকসই সমাধানে আরসিসি সড়ক নির্মাণের দাবি

পাবনার মেয়ে সুচিত্রা সেন: আলো ছড়ানো এক অনন্য নাম

নিজস্ব প্রতিবেদক / ৩০৯ জন দেখেছেন
আপডেট : April 7, 2026

পাবনার মাটি থেকে উঠে আসা বাংলা চলচ্চিত্রের কিংবদন্তি নায়িকা সুচিত্রা সেন-এর আজ ৯৪তম জন্মবার্ষিকী। ১৯৩১ সালের ৬ এপ্রিল তিনি জন্মগ্রহণ করেন এবং তার অভিনয়গুণে বাংলা সিনেমাকে দিয়েছেন এক অনন্য উচ্চতা।

পাবনা শহরের গোপালপুর মহল্লায় অবস্থিত পৈত্রিক বাড়িতেই কেটেছে তার শৈশব ও কৈশোর। বাবা করুনাময় দাশগুপ্ত ছিলেন পাবনা পৌরসভার স্যানিটারি ইন্সপেক্টর এবং মা ইন্দিরা দাশগুপ্ত ছিলেন গৃহিণী। ছোটবেলা থেকেই পড়াশোনার চেয়ে গান, নাটক ও অভিনয়ের প্রতি তার আগ্রহ বেশি ছিল। স্থানীয় বিভিন্ন সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে তিনি নিজের প্রতিভার পরিচয় দেন।

বিয়ের পর সংসারের পাশাপাশি অভিনয় জগতে প্রবেশ করেন তিনি। ১৯৫৩ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত “সাত নম্বর কয়েদি” চলচ্চিত্রের মাধ্যমে তার অভিনয়জীবনের যাত্রা শুরু হয়। এরপর টানা কয়েক দশক বাংলা চলচ্চিত্রে অভিনয় করে তিনি হয়ে ওঠেন দর্শকদের হৃদয়ের ‘মহানায়িকা’। বিশেষ করে উত্তম কুমার-এর সঙ্গে তার জুটি বাংলা চলচ্চিত্রে এক ইতিহাস সৃষ্টি করে।

ক্যারিয়ারে তিনি বাংলা ও হিন্দি মিলিয়ে মোট ৬৩টি চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন। ১৯৬৩ সালে “সাত পাকে বাঁধা” চলচ্চিত্রে অভিনয়ের জন্য মস্কো আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে সেরা অভিনেত্রীর সম্মান অর্জন করেন, যা ছিল কোনো ভারতীয় অভিনেত্রীর জন্য প্রথম আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি। এছাড়া ভারত সরকার তাকে পদ্মশ্রী সম্মানে ভূষিত করে।

তার জন্মদিন উপলক্ষে পাবনায় বিভিন্ন সংগঠন নানা আয়োজন করেছে। সুচিত্রা সেন স্মৃতি সংরক্ষণ পরিষদ-সহ স্থানীয় সাংস্কৃতিক সংগঠনগুলো কেক কাটা, আলোচনা সভা এবং তার অভিনীত চলচ্চিত্র প্রদর্শনের আয়োজন করেছে।

সুচিত্রা সেন শুধু একজন অভিনেত্রী নন, তিনি বাংলা চলচ্চিত্রের এক অনন্য অধ্যায়। তার অভিনয়, ব্যক্তিত্ব এবং রহস্যময় উপস্থিতি আজও দর্শকদের মনে সমানভাবে জীবন্ত।

 

 


অন্যান্য সংবাদ