মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬, ১২:২৪ পূর্বাহ্ন
এই মুহূর্তের খবর :
মাদার তেরেসা: মানবতার সেবায় এক অনন্য আলোকবর্তিকা সরকারি প্রতিষ্ঠানে দলীয় নেতাদের নিয়োগ: কী বার্তা দিচ্ছে সরকার? গোলাবারুদের মজুত নিয়ে বিতর্কের মাঝেই ট্রাম্পের নতুন দাবি, প্রকাশ করলেন যুদ্ধের এআই ছবি বিশ্বকাপ ফাইনালে হারের এক সপ্তাহ পর আবেগঘন খোলাচিঠি আর্জেন্টিনা কোচ স্কালোনির মঙ্গলবার বঙ্গভবনে প্রথম অফিস করবেন ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি মাওয়া হাইওয়ের পাশে নিমতলা ব্রিজ সংলগ্ন ইছামতি নদী দখলের অভিযোগ, অস্তিত্ব সংকটে নদী গ্যাসসংকটে শিল্প খাত বিপর্যস্ত, উৎপাদন ও রপ্তানিতে বাড়ছে শঙ্কা সাবেক রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিনের দায়মুক্তি নিয়ে বিতর্ক: ব্যক্তিগত অপরাধের বিচার সম্ভব বলে মত আইন বিশেষজ্ঞদের মায়ের সেবা – মো: আশিকুর রহমান স্বাধীন পরিবেশ রক্ষায় দেশব্যাপী ৮ লাখ বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন

তারেক রহমান–এর নেতৃত্বে নতুন যাত্রা বাংলাদেশের

স্টাফ রিপোর্টার / ২৪২ জন দেখেছেন
আপডেট : February 17, 2026

আজ মঙ্গলবার সকালে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জয়ী সদস্যরা শপথ নিচ্ছেন। বিকেলে অনুষ্ঠিত হবে নতুন মন্ত্রিসভার শপথ। এর মধ্য দিয়ে ৫ আগস্টের ছাত্র–জনতার অভ্যুত্থান-পরবর্তী বাংলাদেশ একটি নির্বাচিত সরকারের অধীনে নতুন যাত্রা শুরু করতে যাচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নিচ্ছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান।

জাতীয় সংসদ সচিবালয় জানিয়েছে, সকাল ১০টায় জাতীয় সংসদ ভবনের শপথকক্ষে নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যরা শপথ গ্রহণ করবেন। সংসদ সদস্যদের শপথ পড়াবেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ এম এম নাসির উদ্দীন। বিকেল চারটায় মন্ত্রিসভার সদস্যদের শপথ পড়াবেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন

এবারের শপথ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হবে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় খোলা আকাশের নিচে, যা দেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে এক ব্যতিক্রমী ও প্রতীকী আয়োজন হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

৩০০ আসনের মধ্যে ২৯৯টিতে অনুষ্ঠিত নির্বাচনে এককভাবে ২০৯টিতে জয় পেয়েছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। ফলে দলটির নেতৃত্বেই সরকার গঠন হচ্ছে। নতুন মন্ত্রিসভায় কারা থাকছেন—তা নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনা চলছে। জ্যেষ্ঠ ও অভিজ্ঞ নেতাদের পাশাপাশি তরুণদেরও গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দেওয়ার পরিকল্পনার কথা জানা গেছে।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, দীর্ঘ আন্দোলন ও রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর এই সরকার দেশের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় সূচনা করতে যাচ্ছে। জাতীয় ঐক্য প্রতিষ্ঠা, রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা, আইনের শাসন নিশ্চিতকরণ এবং বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ তৈরিই হবে নতুন সরকারের বড় চ্যালেঞ্জ।

নতুন যাত্রার প্রাক্কালে ইতিহাসের কথাও স্মরণ করা হচ্ছে। ১৯৭৯ সালে রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নেন জিয়াউর রহমান এবং ১৯৯১ সালে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেন খালেদা জিয়া। সেই ধারাবাহিকতায় ২০২৬ সালে তারেক রহমানের নেতৃত্বে আবারও বিএনপির সরকার গঠিত হলো।

রাজনৈতিক অঙ্গনে নানা প্রত্যাশা ও জল্পনার মধ্যেই আজ শুরু হচ্ছে নতুন সরকারের আনুষ্ঠানিক পথচলা। এখন দেখার বিষয়—ঘোষিত অঙ্গীকার বাস্তবায়নে নতুন সরকার কতটা সফল হতে পারে এবং জনগণের প্রত্যাশা কতটা পূরণ করতে পারে।


অন্যান্য সংবাদ