১৯৬২ সনের ২৭শে ফেব্রুয়ারী মুন্সীগঞ্জ জেলার সিরাজদিখান উপজেলাধীন শেখর নগর ইউনিয়নের হযরতপুর (গোপালপুর) গ্রামে মুসলিম পরিবারে তিনি জন্ম গ্রহণ করেন। তার পিতা মরহুম আলাচনার মোঃ মুসলিম মিয়া, মাতা মোছাম্মৎ করিমুননেছা। বর্তমানে তিনি দুই পুত্র ও তিন কন্যা সন্তানের জন
সফল শিল্পোদ্যোক্তাঃ নিজের বুদ্ধিমত্তা, মেধা, কঠোর পরিশ্রম ও সুযোগ্য নেতৃত্বের মাধ্যমে তিনি (আল-মুসলিম গ্রুপ) এ.কে.এম নীট ওয়্যার লিঃ, ২। প্যাসিফিক ব্লু জিন্স ওয়্যার লিঃ, ৩। আল-মুসলিম এ্যাপারেলস লিঃ, ৪। আল-মুসলিম ওয়াশিং লিঃ, ৫। আল-মুসলিম গার্মেন্টস এক্সেসরিজ লিঃ, ৬। আল-মুসলিম ইয়ার্ন ডাইং লিঃ, ৭। আল-কাভার্স লিঃ, ইত্যাদি শতভাগ রপ্তানীমুখী গার্মেন্টস শিল্প প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার মাধ্যমে দেশ ও বিদেশে বাদশা অর্জন করেন। সফল ব্যবসায়ী হিসাবে রপ্তানী খাতে বিশেষ অবদানের জন্য তিনি একাধিকবার শীর্ষ জাগার করা ট্রফি (স্বর্ণ পদক) লাভ করেন। বর্তমানে তার শিল্প প্রতিষ্ঠানে বিভিন্ন স্তরে প্রায় ৩২ (বত্রিশ) হাজার শ্রমিক-ক সর্তা কর্মচারীদের চাকরী প্রদান করে অর্থনৈতিক চাকা সচল রাখতে জাতীয়ভাবে বিশেষ অবদান রাখছেন।
শিক্ষা ক্ষেত্রে অবদানঃকর্মচারীদের চাকরী প্রদান করে অর্থনৈতিক চাকা সচল রাখতে জাতীয়ভাবে বিশেষ অবদান রাখছেন।
শিক্ষা ক্ষেত্রে অবদানঃনিজস্ব অর্থায়নে নিজ গ্রামে (১) আলী আজগর এন্ড আব্দুল্লাহ ডিগ্রী কলেজ, (২) জামিয়া শেখ মুহাম্মাদ আব্দুল্লাহ কওমী মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠা করেন, (৩) রায় বাহাদুর শ্রীনাথ ইনস্টিটিউশন দ্বিতল ভবনের ২টি কক্ষ ও কম্পিউটার ল্যাব প্রতিষ্ঠা, (৪) রাজানগর হাই স্কুল দ্বিতল ভবনের ২টি কক্ষ নির্মাণ এবং অসংখ্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও সেবামূলক অনেক প্রতিষ্ঠানে আর্থিক সহযোগিতা করছেন। সিরাজদিখান উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ছাত্র-ছাত্রীদের বৃত্তি প্রদান এবং তেঘরিয়া, গোপালপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অতিরিক্ত ক্লাস নেওয়ার জন্য প্যারা শিক্ষক নিয়োগ ও তাদের বেতন প্রদান করছেন। এছাড়াও সিরাজদিখান-শ্রীনগরসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের মসজিদ, মাদ্রাসা, স্কুল-কলেজে অনুদান প্রদান করে আসছেন। মানিকগঞ্জে দু’হাতকাটা মেধাবী ছাত্র রুবেলকে পড়ালেখার খরচ বাবদ প্রতিমাসে আর্থিক সহায়তা প্রদান করেন। এছাড়াও ০৬ (ছয়) জন অন্ধ হাফেজসহ বিভিন্ন মাদ্রাসার ছাত্রদের পড়াশুনার জন্য আর্থিক সহায়তা করে যাচ্ছেন। শিক্ষা ক্ষেত্রে বিশেষ অবদানের জন্য তিনি ২০০৬ সালে চ্যানেল আই কর্তৃক মুন্সীগঞ্জ জেলার সেরা শিক্ষাণুরাগী হিসেবে পুরস্কার লাভ করেন।
আর্ত মানবতার সেবাঃবৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার আন্দোলনে যারা শহীদ ও আহত হয়েছেন তাদের পরিবারকে বিপুল পরিমাণ আর্থিক সহায়তা প্রদান ও চিকিৎসার সু-ব্যবস্থা করেছেন। তিনি প্রাকৃতিক দুর্যোগ বন্যা, জলোচ্ছাস ও ঘূর্ণিঝড়ে ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে দাঁড়ানোর পাশাপাশি গরীবদের মাঝে খাদ্য, শীতবস্ত্র বিতরণ, আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারদের পুনর্বাসনের জন্য আর্থিক সহায়তা প্রদান করেছেন। তিনি বার্ণ ইউনিটের অগ্নিদগ্ধ রোগী সহ ঢাকার বিভিন্ন হাসপাতালের চিকিৎসারত অসহায় রোগীদেরকে চিকিৎসার জন্য আর্থিক সহায়তা প্রদান করেছেন। গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে স্বৈরাচার বিরোধী বিগত ১৭ বৎসরের আন্দোলনে মুন্সীগঞ্জের জাহাঙ্গীর, ঢাকায় পুলিশের গুলিতে দুই চোখ হারানো মালখানগরের হালেম শেখ, গুলিবিদ্ধ সুমন খান, লিছান, বিপ্লব মাদবর, মামুনসহ আহত অসংখ্য নেতাকর্মীদের চিকিৎসা প্রদান করেছেন। সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, তারা যেন তাদের সম্পত্তি নির্বিঘ্নে ভোগ দখল ও সংরক্ষণ করতে পারে তার নিশ্চয়তা করছেন।
তুরস্কের ভয়াবহ ভূমিকম্পে আহতদের মাঝে খাদ্য, বস্ত্র, ঔষধ সরবরাহ করেন, উপকূলীয় অঞ্চলে সিডরে ও সিলেটের বন্যাদুর্গত এবং রংপুরের মঙ্গা এলাকার অনেক পরিবারকে খাদ্য, বস্ত্র, ঔষধ ও আর্থিক সহায়তা প্রদান করেছেন। আরও উল্লেখ্য যে, ধ্বসে যাওয়া রানা প্লাজার আহত শ্রমিকদের উদ্ধারের জন্য উদ্ধারকর্মী নিয়োগ, প্রতিদিন খাবারের ব্যবস্থা, চিকিৎসার সু-ব্যবস্থা সহ আহত শ্রমিকদের পুনর্বাসনের জন্য বিপুল পরিমাণ অর্থ অনুদান প্রদান করায় বিজিএমইএ থেকে সম্মাননা ও সনদ লাভ করেছেন। মিয়ানমার থেকে আসা রোহিঙ্গাদের জন্য মাদ্রাসা, মসজিদ নির্মাণ ও খাদ্য সরবরাহ করে মহত্বের পরিচয় দিয়েছেন। চিকিৎসার জন্য গরীব, অসহায় ও নিঃস্ব মানুষকে আর্থিক সহায়তা প্রদান করে আসছেন। এছাড়াও প্রতিদিন কোন না কোন দুঃখী মানুষকে সেবা প্রদান করে মানবতাবোধকে জাগ্রত রেখেছেন। অন্যায়, অত্যাচার, জুলুম ও নির্যাতনের হাত থেকে নিপীড়িত ও বঞ্চিতদের রক্ষা করা এবং সমাজে ন্যায় সংগত সম অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য তিনি নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন।
জন কল্যাণঃতিনি নিজ অর্থায়নে শেখরনগর ব্রীজ থেকে তীর্থঘাট (১.৫০) কিঃ মিঃ পর্যন্ত রাস্তা পাকা করেন এবং গোপালপুর নামার হাটি রাস্তাসহ অনেক রাস্তার উন্নয়ন সাধন করেছেন। জনগণের সুবিধার্থে অনেক স্থানের নদী-ঘাটে পাকা ঘাটলা তৈরি করেছেন। অন্যদিকে অনেক কবরস্থান ও ঈদগাহ মাঠের জন্য অনুদান প্রদান করেছেন। উল্লেখ্য যে, শেখর নগর ইউনিয়নে তিনটি ব্রীজ নির্মাণের ক্ষেত্রে তার বিশেষ অবদান রয়েছে।
বেকারত্ব দূরীকরণঃবেকারত্ব দূরীকরণে তিনি তার প্রতিষ্ঠিত আল-মুসলিম গ্রুপে প্রায় বত্রিশ হাজার শ্রমিক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীকে কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করেছেন। যার অধিকাংশই নারী। তিনি শ্রীনগর-সিরাজদিখানের প্রায় দুই হাজার বেকার নারী-পুরুষকে কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করেছেন। ভবিষ্যতেও এর ধারাবাহিকতা অব্যাহত থাকবে, ইনশাল্লাহ্।
রাজনৈতিক কর্মকান্ডঃছাত্র জীবন থেকেই তিনি মহান স্বাধীনতার ঘোষক ও সার্কের প্রতিষ্ঠাতা দক্ষিণ এশিয়ার স্বনামধন্য নেতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে বিএনপির রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত হয়ে অদ্যবধি সকল কর্মসূচিতে সক্রিয়ভাবে অংশ গ্রহণ এবং নেতৃত্ব দিয়ে আসছেন। তিনি ২০২২ সালে সিরাজদিখান উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক নির্বাচিত হন, ২০২৩ সালে সম্মেলনের মাধ্যমে সিরাজদিখান উজলা বিএনপির সভাপতি নির্বাচিত হন এবং ২০২৫ সালে মুন্সীগঞ্জ জেলা বিএনপি, আহ্বায়ক কমিটির ১নং সদস্য নির্বাচিত হন। তিনি ২০০৯ ইং সনে সিরাজদিখান উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এবং একই সাথে মুন্সীগঞ্জ জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি নির্বাচিত হন। তিনি সর্বদা “বিএনপির” বিভিন্ন কর্মসূচি পালনে নির্যাতিত, নিপীরিত ও হামলা-মামলা শিকার হওয়া নেতা কর্মীদের আইনি সহায়াতার মাধ্যমে জামিনের ব্যবস্থা করে তাদের পরিবারের পাশে থেকে প্রতিনিয়ত খোঁজখবর রেখেছেন। তিনি নিজেও বিভিন্ন সময় বিভিন্নভাবে রাজনৈতিক হামলা-মামলা, হয়রানি ও ষড়যন্ত্রের শিকার হয়েছেন এবং বর্তমানেও হচ্ছেন। জীবনের সকল ক্ষেত্রে সফল ব্যক্তি জনাব শেখ মোঃ আব্দুল্লাহ বৃহত্তর পরিসরে জনগনের সেবা করার জন্য মুন্সীগঞ্জ-১ আসনে (শ্রীনগর- সিরাজদিখান) আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে “বিএনপি” থেকে মনোনয়ন প্রত্যাশী। পরম করুনাময় আল্লাহ তায়ালা জনগণের কল্যানে তার স্বদিচ্ছা পূরনের তৌফিক দান করুন (আমিন)।
শেখ মোঃ আব্দুল্লাহ্ এর ভবিষ্যত পরিকল্পনাসমূহঃরাষ্ট্রকাঠামো মেরামতে আগামীর রাষ্ট্রনায়ক জননেতা তারেক রহমানের ৩১ (একত্রিশ) দফা বাস্তবায়নে কার্যকর ভূমিকা গ্রহণ।দুর্নীতি, সন্ত্রাস ও সামাজিক অবক্ষয় রোধে মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ।এক সামাজিক ন্যায়-বিচার প্রতিষ্ঠা, নারীর মর্যাদা, সুরক্ষা, ক্ষমতায়ন ও নারী নির্যাতন বন্ধে যথাযথ পদক্ষেপ গ্রহণ করা।এক শিক্ষার মান-উন্নয়নে মানসম্মত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান/ বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করার পাশাপাশি কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলা।আধুনিক বিক্রমপুর গড়ার লক্ষ্যে মুন্সীগঞ্জ-১ আসনের প্রত্যন্ত অঞ্চলে যোগাযোগ ব্যবস্থার ব্যাপক উন্নয়ন সাধন করা।শ্রীনগর ও সিরাজদিখানে একটি সরকারী মেডিকেল কলেজ স্থাপন করা ও চিকিৎসা ক্ষেত্রে প্রতিটি নাগরিক যাতে সু-চিকিৎসা পেতে পারে তা নিশ্চিত করতে আধুনিক মানসম্মত হাসপাতাল গড়ে তোলা।এজ মাদকের করাল গ্রাস থেকে রক্ষা করতে খেলা-ধুলা ও সাংস্কৃতিক অবকাঠামো উন্নয়নে জোড়ালো পদক্ষেপ নেওয়া।একসকল ধর্ম-বর্ণের মানুষ যাতে যার যার ধর্ম স্বাধীনভাবে পালন করতে পারে তা সুনিশ্চিত করা।এ শিল্প-কারখানা গড়ে তোলার মাধ্যমে বেকারত্ব দূরীকরণে নারী-পুরুষদের কর্মসংস্থানের সু-ব্যবস্থা করা।পানি পয়ঃনিস্কাশনে সুয়ারেজের সুপরিকল্পিত ব্যবস্থা গ্রহণ।বিদ্যুৎ নিরবিচ্ছিন্ন রাখা ও গ্যাস সংযোজনের ব্যবস্থা গ্রহণ।
কৃষি উন্নয়নে আধুনিক সরঞ্জাম প্রদানের পাশাপাশি খাল খননের মাধ্যমে খাদ্যে স্বয়ং সম্পূর্ণ করা এবং কৃষি পণ্য সংরক্ষণে পর্যাপ্ত কোল্ডস্টোরেজ এর ব্যবস্থা করা।তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির উন্নয়নে সর্বোত্তম ব্যবহার সুনিশ্চিত করাসমাজের সর্বস্তরে জনগণের সার্বিক নিরাপত্তা ও কল্যাণের জন্য জোড়ালো ভূমিকা গ্রহণ।এর শ্রীনগর ও সিরাজদিখান উপজেলাকে পৌরসভায় উন্নীত করা।আরিয়াল বিলের জীব-বৈচিত্র্য রক্ষা করা।শ্যামসিদ্ধির মঠকে কুতুবমিনারের আদলে পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলা।এক যদুনাথ বাবুর আবাসস্থান বর্তমান বিক্রমপুর যাদুঘরকে প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরে হস্তান্তর ও পর্যটন কেন্দ্র ঘোষণা।স্যার জেসি বোস বিশ্ববিদ্যালয় নির্মাণ।একভাগ্যকুল ও বাঘড়ায় পদ্মার চরে বিদ্যুৎ সরবরাহ এবং বেকারদের জন্য খামার তৈরীতে সহায়তা ও জমি বরাদ্দের জন্য সরকারকে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে এলাকার জনগণকে প্রধান্য দেওয়া।এ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, হাসপাতাল, উপজেলা অফিস, থানা ও অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ সেবা প্রতিষ্ঠানে ফ্রি ওয়াই ফাই এর ব্যবস্থা করা।
প্রচারেঃ মুন্সীগঞ্জ-১ শ্রীনগর-সিরাজদিখানের সর্বস্তরের জনগণ