মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬, ১২:২০ পূর্বাহ্ন
এই মুহূর্তের খবর :
মাদার তেরেসা: মানবতার সেবায় এক অনন্য আলোকবর্তিকা সরকারি প্রতিষ্ঠানে দলীয় নেতাদের নিয়োগ: কী বার্তা দিচ্ছে সরকার? গোলাবারুদের মজুত নিয়ে বিতর্কের মাঝেই ট্রাম্পের নতুন দাবি, প্রকাশ করলেন যুদ্ধের এআই ছবি বিশ্বকাপ ফাইনালে হারের এক সপ্তাহ পর আবেগঘন খোলাচিঠি আর্জেন্টিনা কোচ স্কালোনির মঙ্গলবার বঙ্গভবনে প্রথম অফিস করবেন ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি মাওয়া হাইওয়ের পাশে নিমতলা ব্রিজ সংলগ্ন ইছামতি নদী দখলের অভিযোগ, অস্তিত্ব সংকটে নদী গ্যাসসংকটে শিল্প খাত বিপর্যস্ত, উৎপাদন ও রপ্তানিতে বাড়ছে শঙ্কা সাবেক রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিনের দায়মুক্তি নিয়ে বিতর্ক: ব্যক্তিগত অপরাধের বিচার সম্ভব বলে মত আইন বিশেষজ্ঞদের মায়ের সেবা – মো: আশিকুর রহমান স্বাধীন পরিবেশ রক্ষায় দেশব্যাপী ৮ লাখ বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন

জাবটিকাবার

স্টাফ রিপোর্টার / ৩৪২ জন দেখেছেন
আপডেট : February 16, 2026

জাবটিকাবার আদি নিবাস ব্রাজিল। তৎকালীন পাকিস্তান আমলে ১৯৫৬ সালে বর্তমান হর্টিকালচার সেন্টার কল্যাণপুর ছিল বিএডিসি ফার্ম। তৎকালে প্রায় ১০০ একর জমির উপর প্রতিষ্ঠিত এ ফার্মের কোয়ার্টার সংলগ্ন এলাকায় পথের ধারে তিনটি জাবটিকার চারা রোপণ করেন তৎকালীন ফার্মের জনৈক উদ্যানতত্ত্ববিদ জনাব আঃ সামাদ। কোথা থেকে কিভাবে তিনি এ চারা সংগ্রহ করেছিলেন তা কেউ আর এখন বলতে পারেন না। এখন আর শুধু কল্যাণপুর হর্টিকালচার সেন্টারেই নয়, জাবাটিকার গাছ ফল দিচ্ছে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্যানতত্ত্ব বিভাগের জার্মপ্লাজম সেন্টারে,কল্যাণপুর হর্চিকালচার সেন্টারের ফলবাগানে ও দেশে আরও অনেক শৌখিন ফল প্রেমিকদের বাগানে।

সরকারও সাম্প্রতিক বছরগুলোতে এসব ফলকে জনপ্রিয় ও সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য প্রতি বছর জাতীয় পর্যায়ে ফল প্রদর্শনীর আয়োজন করছেন। দেশের প্রতিটি বাড়িতে এই বৃক্ষ রোপণ মৌসুমে অন্তত একটি ফলের চারা রোপণ করা উচিত বলে বিশেষজ্ঞদের অভিমত। প্রয়োজন ও প্রাপ্তির ব্যবধানের কারণ একদিকে যেমন সচেতনতার অভাব অন্যদিকে রয়েছে উৎপাদনের সীমাবদ্ধতা। তাই দেশের খাদ্যপুষ্টির চাহিদা পূরণসহ আর্থসামাজিক উন্নয়ন নিশ্চিত করতে বিদেশি ফলের প্রবর্তন, গবেষণা, উন্নয়ন, উৎপাদন ও ব্যবহার অনস্বীকার্য। সুতরাং স্বাদে, গন্ধে, পুষ্টিতে শ্রেয়তর বর্ণিল বিদেশি ফলগুলোর উৎপাদন দেশব্যাপী সারা বছর বাড়িয়ে তুলতে হবে। উৎপাদন বৃদ্ধির পাশাপাশি প্রয়োজন উপযুক্ত সংরক্ষণ ও প্রক্রিয়াজাতকরণ ব্যবস্থাপনা। এতে ক্ষুদ্র ও বৃহৎ পরিসরে গড়ে উঠবে আরো প্রক্রিয়াজাতকরণ শিল্প। ফলে কৃষিনির্ভর অর্থনীতি হবে আরো মজবুত ও গতিশীল, দেশবাসী পাবে খাদ্যে পুষ্টিমানসম্পন্ন একটি ভবিষ্যৎ।


অন্যান্য সংবাদ