মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০১:১২ পূর্বাহ্ন
এই মুহূর্তের খবর :
রশুনিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের কৃতি সন্তান ডা. সজীব চন্দ্র মন্ডল, চিকিৎসাসেবায় গর্বিত গোটা ইউনিয়ন কাঁচের সেতুতে দাঁড়িয়ে মেঘের দেশে- মো: আনিছুর রহমান ষাট দশকের ক্রিকেট এই বাংলায় সৌদি সামরিক ঘাঁটিতে হুথিদের ড্রোন-ক্ষেপণাস্ত্র হামলার দাবি মধুর কিছু সময়: বেইজিংয়ের স্বর্গের মন্দিরে – মো: আনিছুর ইসলাম নিষিদ্ধ নগরীর নীরব ইতিহাসের পথে – মো: আনিছুর রহমান একই দিনে রাজধানীর দুই এলাকায় অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। সাশ্রয়ী চিকিৎসাসেবা নিশ্চিতে ঢাকা কমিউনিটি হাসপাতালে সিটি স্ক্যান মেশিন, এনসিসি ব্যাংকের ১ কোটি টাকা অনুদান ১০ লাখ টাকা খরচ করেও একমাত্র ছেলেকে বাঁচাতে পারলাম না’ বিশ্ব ফিজিওথেরাপি দিবস আজ ঢাকা কমিউনিটি হাসপাতালে কেক কেটে দিবসটি পালন

শারীরিক ও মানসিক অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগ

নিজস্ব প্রতিবেদন / ১৫৯ জন দেখেছেন
আপডেট : July 25, 2026

শারীরিক ও মানসিক অসুস্থতার কথা উল্লেখ করে রাষ্ট্রপতির পদ থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন মো. সাহাবুদ্দিন। তিনি সংবিধানের ৫০(৩) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী জাতীয় সংসদের স্পিকারের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন।

পদত্যাগপত্রে তিনি জানান, ২০২৩ সালের ২৪ এপ্রিল দেশের ২২তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে সংবিধান ও রাষ্ট্রের প্রতি অঙ্গীকার বজায় রেখে দায়িত্ব পালন করেছেন। ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর উদ্ভূত সাংবিধানিক পরিস্থিতি মোকাবিলায় সংবিধানের ১০৬ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের মতামত নিয়ে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠনে তিনি প্রয়োজনীয় ভূমিকা পালন করেন। পরবর্তীতে সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়া এবং নতুন সরকার দায়িত্ব নেওয়ার মধ্য দিয়ে দেশে গণতান্ত্রিক ধারাবাহিকতা বজায় রয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

রাষ্ট্রপতি তাঁর পদত্যাগের প্রধান কারণ হিসেবে গুরুতর শারীরিক অসুস্থতার কথা তুলে ধরেছেন। তিনি দীর্ঘদিন ধরে হৃদরোগ, উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস ও কিডনি-সংক্রান্ত সমস্যায় ভুগছেন। সম্প্রতি চিকিৎসকদের পরীক্ষায় তাঁর অটোনমিক নিউরোপ্যাথি (Autonomic Neuropathy) ধরা পড়ে। এ রোগের কারণে তিনি মাঝেমধ্যে সাময়িকভাবে চেতনা হারিয়ে ফেলেন, যা দায়িত্ব পালনে বড় ধরনের প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করছে।

তিনি আরও বলেন, বর্তমান শারীরিক ও মানসিক অবস্থায় রাষ্ট্রপতির মতো গুরুত্বপূর্ণ সাংবিধানিক দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করা তাঁর পক্ষে সম্ভব নয়। দীর্ঘমেয়াদি চিকিৎসার প্রয়োজনীয়তার কথা বিবেচনা করেই তিনি দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। স্পিকারের কাছে পদত্যাগপত্র জমা দেওয়ার মধ্য দিয়ে তাঁর পদত্যাগের আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে।

 


অন্যান্য সংবাদ