বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি বলেন, সংশ্লিষ্ট সবার সঙ্গে আলোচনা ও মতবিনিময়ের পর ইজতেমার তারিখ চূড়ান্ত করা হয়েছে।
আগামী বছরের বিশ্ব ইজতেমা দুই পর্বে অনুষ্ঠিত হবে। প্রথম পর্ব ৮ থেকে ১০ জানুয়ারি এবং দ্বিতীয় পর্ব ১৫ থেকে ১৭ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত হওয়ার তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, জাতীয় নির্বাচনের কারণে চলতি বছর বিশ্ব ইজতেমা আয়োজন করা সম্ভব হয়নি। এবার তাবলিগ জামাতের দুই পক্ষের সঙ্গেই আলোচনা করা হয়েছে। মাওলানা জোবায়েরপন্থীদের সঙ্গে এর আগে আলোচনা হয়েছে এবং বৃহস্পতিবার মাওলানা সাদপন্থীদের সঙ্গেও বৈঠক হয়েছে।
তিনি বলেন, বিশ্ব ইজতেমাকে ঘিরে সরকারের প্রধান লক্ষ্য হচ্ছে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ নিশ্চিত করা। অতীতে ইজতেমাকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ ও হতাহতের ঘটনা ঘটেছে। এবার যেন এ ধরনের কোনো পরিস্থিতির সৃষ্টি না হয়, সে বিষয়ে সরকার সতর্ক থাকবে।
দেশের সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়েও কথা বলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। তাঁর দাবি, ২০২৫ সালের তুলনায় বর্তমানে হত্যা, অপহরণ, ধর্ষণ, নারী নির্যাতন ও অস্ত্রসংক্রান্তসহ বিভিন্ন অপরাধের মাত্রা কমেছে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ধীরে ধীরে আরও উন্নতির দিকে যাচ্ছে।
ছিনতাইয়ের ঘটনা নিয়ে প্রশ্নের জবাবে সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, ছিনতাই প্রতিরোধে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে আরও কঠোর হওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সংসদ ভবনের সামনে ছিনতাইকারীর হামলায় এক শিক্ষিকার মৃত্যুর ঘটনায় দ্রুত আসামি গ্রেপ্তার এবং ব্যবহৃত মোটরসাইকেল উদ্ধারের বিষয়টিও তিনি তুলে ধরেন।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির আরও উন্নয়নে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর অভিযান অব্যাহত থাকবে। একই সঙ্গে বিশ্ব ইজতেমা শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করতে প্রয়োজনীয় সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হবে।